বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান (প্রবন্ধ) রাজশেখর বসু SAQ

১. পরিভাষার উদ্দেশ্য কী?
উত্তর: পরিভাষার উদ্দেশ্য হল ভাষাকে সংক্ষিপ্ত করা এবং তার অর্থ সুনির্দিষ্ট করা। অনর্থক বর্ণনা পরিহার করে বৈজ্ঞানিক বিষয়কে সংক্ষিপ্ত ও স্পষ্টভাবে প্রকাশ করাই পরিভাষার প্রধান কাজ।

২. ‘Sensitized Paper’-এর সঠিক বাংলা অনুবাদ কী?
উত্তর: ‘Sensitized Paper’-এর সঠিক বাংলা অনুবাদ হল ‘সুগ্রাহী কাগজ’। ‘স্পর্শকাতর কাগজ’ অনুবাদটি ভুল।

৩. বৈজ্ঞানিক সাহিত্য ও সাধারণ সাহিত্যের ভাষার মৌলিক পার্থক্য কী?
উত্তর: বৈজ্ঞানিক সাহিত্যের ভাষা হতে হবে সহজ, সরল, যুক্তিপূর্ণ ও অলংকারবর্জিত, যেখানে সত্য ও তথ্যের প্রাধান্য থাকে। অন্যদিকে সাধারণ সাহিত্যে উপমা, রূপক ইত্যাদি অলংকারের মাধ্যমে শৈল্পিক অভিব্যক্তি স্থান পায়।

৪. কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৩৬ সালের পরিভাষা সমিতির সাফল্যের কারণ কী?
উত্তর: এর সাফল্যের কারণ ছিল সমন্বিত প্রচেষ্টা। সমিতিতে বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখার অধ্যাপক, ভাষাতত্ত্ববিদ, সংস্কৃতজ্ঞ পণ্ডিত এবং লেখকদের একত্রিত করে কাজ করানো হয়েছিল।

৫. বৈজ্ঞানিক রচনায় ‘অভিধা’ ও ‘লক্ষণা’-র ব্যবহার সম্পর্কে লেখকের বক্তব্য কী?
উত্তর: লেখকের মতে, বৈজ্ঞানিক রচনায় ‘অভিধা’ বা সরাসরি অর্থই একমাত্র কাম্য। ‘লক্ষণা’ বা লাক্ষণিক অর্থ এখানে সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত, কারণ এটি অর্থের অনিশ্চয়তা তৈরি করে।

৬. ‘When sulphur burns in air the nitrogen does not take part in the reaction.’—বাক্যটির সঠিক বাংলা অনুবাদ কী?
উত্তর: বাক্যটির সঠিক বাংলা অনুবাদ হল: ‘বায়ুতে গন্ধক পোড়ালে নাইট্রোজেনের কোনো রাসায়নিক পরিবর্তন হয় না।’

৭. বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানচর্চার প্রধান বাধাগুলি কী কী?
উত্তর: প্রধান বাধাগুলি হল: বাংলায় পর্যাপ্ত পরিভাষার অভাব, অনেক লেখকের ভাষাগত আড়ষ্টতা ও ইংরেজির আক্ষরিক অনুবাদের প্রবণতা, এবং পাঠকসমাজে প্রাথমিক বিজ্ঞান জ্ঞানের স্বল্পতা।

৮. নতুন রাসায়নিক বস্তুর নামকরণ সম্পর্কে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিভাষা সমিতির সুপারিশ কী ছিল?
উত্তর: সমিতি সুপারিশ করেছিল যে, নবাগত রাসায়নিক বস্তুর ইংরেজি নামই বাংলা বানানে (যেমন- ‘অক্সিজেন’, ‘হাইড্রোজেন’) ব্যবহার করা হবে।

৯. বৈজ্ঞানিক লেখায় ‘মাছিমারা নকল’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: ‘মাছিমারা নকল’ হল এমন অনুবাদ যেখানে ইংরেজি বাক্যের প্রতিটি শব্দেরই বাংলা প্রতিশব্দ বসিয়ে দেওয়া হয়, কিন্তু সামগ্রিক বাক্যটির অর্থ বা প্রাকৃতিক প্রবাহের দিকে ভ্রক্ষেপ করা হয় না।

১০. রাজশেখর বসুর ছদ্মনাম কী এবং তাঁর রচিত দুটি গ্রন্থের নাম লেখো।
উত্তর: রাজশেখর বসুর ছদ্মনাম হল ‘পরশুরাম’। তাঁর রচিত দুটি বিখ্যাত গ্রন্থ হল ‘গডলিকা’ ও ‘হনুমানের স্বপ্ন’।

১১. বৈজ্ঞানিক রচনাকে ‘উৎকট’ করে তোলে কোন প্রবণতা?
উত্তর: ইংরেজি চিন্তাভাবনা ও বাক্য গঠনকে হুবহু বাংলায় অনুবাদ করার প্রবণতাই রচনাকে উৎকট ও দুর্বোধ্য করে তোলে।

১২. সাধারণ পাঠকের জন্য লেখা বৈজ্ঞানিক রচনায় পারিভাষিক শব্দের ব্যবহার সম্পর্কে লেখকের পরামর্শ কী?
উত্তর: লেখকের পরামর্শ হল, অল্পপরিচিত বা নতুন পারিভাষিক শব্দ প্রথমবার ব্যবহারের সময় তার সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা দেওয়া উচিত।

১৩. ‘The atomic engine has not even reached the blue print stage.’—বাক্যটির সঠিক বাংলা অনুবাদ কী?
উত্তর: বাক্যটির সঠিক বাংলা অনুবাদ হল: ‘পরমাণু ইঞ্জিনের নকশা পর্যন্ত এখনও প্রস্তুত হয়নি।’

১৪. বৈজ্ঞানিক সন্দর্ভ বোঝা ভারতীয় পাঠকের পক্ষে কঠিন হওয়ার একটি কারণ উল্লেখ করো।
উত্তর: একটি কারণ হল, পাশ্চাত্য সমাজের সাধারণ মানুষের মতো আমাদের দেশের মানুষের দৈনন্দিন জীবন ও চিন্তায় প্রাথমিক বৈজ্ঞানিক ধারণাগুলি গভীরভাবে প্রোথিত নেই।

১৫. বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের পরিভাষা রচনার উদ্যোগের মূল ত্রুটি কী ছিল?
উত্তর: মূল ত্রুটি ছিল সমন্বয়ের অভাব। বিভিন্ন বিদ্বান ব্যক্তি পৃথকভাবে কাজ করায় একই ইংরেজি শব্দের জন্য বিভিন্ন বাংলা পরিভাষা রচিত হয়েছিল।

১৬. ‘বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান’ প্রবন্ধটি লেখকের কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত?
উত্তর: প্রবন্ধটি রাজশেখর বসুর ‘বিচিন্তা’ নামক গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে।

১৭. পারিভাষিক শব্দ বাদ দিয়ে শুধুমাত্র সাধারণ ভাষায় বিজ্ঞান বোঝানোর ধারণা সম্পর্কে লেখকের অভিমত কী?
উত্তর: লেখকের মতে, এই ধারণা পুরোপুরি ঠিক নয়। স্থানবিশেষে পারিভাষিক শব্দ অপরিহার্য, কারণ এটি ভাষাকে সংক্ষিপ্ত ও অর্থকে দ্ব্যর্থহীন করে।

১৮. বৈজ্ঞানিক রচনায় অলংকারের ব্যবহার সম্পর্কে লেখকের বক্তব্য কী?
উত্তর: লেখকের মতে, বৈজ্ঞানিক রচনায় অলংকারের ব্যবহার যত কম হবে, ততই ভালো। বিজ্ঞানের ভাষা হওয়া উচিত তথ্যনির্ভর, স্পষ্ট ও সরল।

১৯. প্রয়োজন মতো বাংলা পরিভাষা না পাওয়া গেলে লেখকের দেওয়া পরামর্শ কী?
উত্তর: লেখকের পরামর্শ হল, এমন অবস্থায় সংশ্লিষ্ট ইংরেজি শব্দটিকেই বাংলা বানানে লিখে ব্যবহার করা যেতে পারে।

২০. বৈজ্ঞানিক সাহিত্য রচনা কখন ‘সুসাধ্য’ হবে বলে লেখক মনে করেন?
উত্তর: লেখকের মতে, যখন দেশে বিজ্ঞানশিক্ষা ব্যাপকভাবে বিস্তার লাভ করবে এবং সাধারণ মানুষের মৌলিক বিজ্ঞানবোধ তৈরি হবে।

২১. ‘হিমালয় যেন পৃথিবীর মানদণ্ড’—এই উক্তিটি বৈজ্ঞানিক রচনার জন্য অনুপযুক্ত কেন?
উত্তর: এটি একটি কাব্যিক উপমা, যা ভূগোল বা বৈজ্ঞানিক বর্ণনার জন্য অনুপযুক্ত। বৈজ্ঞানিক রচনায় হিমালয়ের উচ্চতা, অবস্থান, গঠনপ্রকৃতি ইত্যাদি সুনির্দিষ্ট তথ্যই কাম্য।

২২. বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধে ভুল তথ্য দেওয়ার কী পরিণতি হতে পারে?
উত্তর: ভুল তথ্য পাঠকের মধ্যে ভ্রান্ত ধারণা তৈরি করে, যা অত্যন্ত অনিষ্টকর। বিশেষ করে সাধারণ পাঠক যারা বিষয়টি আগে থেকে জানেন না।

২৩. ইংরেজি-জানা পাঠকদের বাংলা বৈজ্ঞানিক রচনা পড়তে গিয়ে কী সমস্যা হয়?
উত্তর: তাদের প্রধান সমস্যা হল, তারা ইংরেজি পরিভাষা ও চিন্তাধারায় অভ্যস্ত। বাংলা পরিভাষা ও বাক্য গঠন তাদের কাছে অপরিচিত মনে হয়।

২৪. “এই কথাটি সকল লেখকেরই মনে রাখা উচিত।”—কোন কথাটির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে?
উত্তর: বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধের ভাষা অত্যন্ত সরল, স্পষ্ট ও বোধগম্য হওয়া আবশ্যক—এই মৌলিক কথাটির প্রতিই ইঙ্গিত করা হয়েছে।

২৫. বৈজ্ঞানিক রচনায় ‘স্থূল তথ্য’ বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: ‘স্থূল তথ্য’ বলতে বোঝায় সেইসব সাধারণ ও প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ যা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ছাড়াই সহজে বোঝা যায়।

২৬. কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিভাষা সংকলনের সীমাবদ্ধতা কী ছিল?
উত্তর: সংকলনটি খুব বড়ো বা সম্পূর্ণ ছিল না। এতে আরও অনেক শব্দের অন্তর্ভুক্তি প্রয়োজন ছিল।

২৭. বৈজ্ঞানিক লেখায় ‘প্রকৃতিবিরুদ্ধ’ বলতে লেখক কী বোঝান?
উত্তর: বাংলা ভাষার নিজস্ব গঠনশৈলী, বাক্যরীতি ও প্রকাশভঙ্গিকে উপেক্ষা করে ইংরেজি ভাষার গঠন অন্ধভাবে অনুকরণ করাকেই লেখক ‘প্রকৃতিবিরুদ্ধ’ বলেছেন।

২৮. “তাদের মোটামুটি দুই শ্রেণিতে ভাগ করা যেতে পারে।”—বৈজ্ঞানিক গ্রন্থের পাঠকদের এই দুই শ্রেণি চিহ্নিত করো।
উত্তর: প্রথম শ্রেণি: যারা ইংরেজি জানে না বা অতি অল্প জানে। দ্বিতীয় শ্রেণি: যারা ইংরেজি জানে এবং ইংরেজি মাধ্যমেই বিজ্ঞান পড়েছে।

২৯. বৈজ্ঞানিক রচনায় ‘অদ্ভুত অদ্ভুত শব্দ’ প্রয়োগের কারণ কী?
উত্তর: এর কারণ হল, লেখকরা ইংরেজি শব্দের অর্থব্যাপ্তিকে বাংলা শব্দে ধরে রাখার নিরর্থক চেষ্টা করেন।

৩০. বৈজ্ঞানিক সম্পর্ক বোঝা ‘কঠিন’—এই কথার মাধ্যমে লেখক কী সমালোচনা করছেন?
উত্তর: লেখক সমালোচনা করছেন আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার ত্রুটির। এই ব্যবস্থা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সাথে বিজ্ঞানের মৌলিক নীতিগুলোর সম্পর্ক স্থাপনে ব্যর্থ।

৩১. ‘বাংলা ভাষা বজায় থাকে’—এই মন্তব্যের তাৎপর্য কী?
উত্তর: এর তাৎপর্য হল, আক্ষরিক অনুবাদের ফাঁদে পড়লে বাংলা ভাষার স্বকীয়তা নষ্ট হয়। কিন্তু যদি ইংরেজি ভাব বাংলা ভাষার নিজস্ব ধাঁচে প্রকাশ করা হয়, তাহলেই বাংলা ভাষার অস্তিত্ব রক্ষা পায়।

৩২. পরিভাষা তৈরির কাজে ‘সাম্য’ না হওয়ার কী ফল হয়?
উত্তর: ‘সাম্য’ বা সমন্বয় না হলে একই বিষয়ের জন্য বিভিন্ন প্রতিশব্দ চালু হয়ে যায়, যা পাঠক ও লেখক উভয়কেই বিভ্রান্ত করে।

৩৩. বৈজ্ঞানিক লেখায় ‘ভাষার আড়ষ্টতা’ কীভাবে দূর করা যায়?
উত্তর: এটি দূর করা যায়: বিষয়টির ওপর পূর্ণ দখল অর্জন করে এবং বাংলা ভাষায় সাবলীল গদ্য রচনায় দক্ষতা অর্জন করে।

৩৪. বৈজ্ঞানিক সন্দর্ভের ভাষা ‘সরল ও স্পষ্ট’ হওয়ার অর্থ কী?
উত্তর: এর অর্থ হল, ভাষা এতটা স্পষ্ট হওয়া উচিত যাতে তা নিজেই পড়ার বাধা না হয়ে দাঁড়ায়। পাঠকের সম্পূর্ণ মনোযোগ বিষয়বস্তুর দিকে যাবে।

৩৫. বাংলায় বিজ্ঞানচর্চার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে লেখকের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন?
উত্তর: লেখকের দৃষ্টিভঙ্গি আশাবাদী কিন্তু শর্তসাপেক্ষ। তিনি বিশ্বাস করেন যে, সঠিক পরিকল্পনা ও সমন্বিত প্রচেষ্টা দিলে বাংলা ভাষায় উন্নতমানের বিজ্ঞানচর্চা সম্ভব।

৩৬. ‘অমেরুদণ্ডী’ শব্দটি ব্যবহার না করে কীভাবে বর্ণনা করা যেতে পারে?
উত্তর: ‘অমেরুদণ্ডী’ শব্দটি ব্যবহার না করে বলা যেতে পারে—’যেসব জন্তুর শিরদাঁড়া বা মেরুদণ্ড নেই’।

৩৭. বৈজ্ঞানিক লেখায় ‘অল্পবিদ্যা ভয়ংকরী’—এই উক্তিটি কোন প্রসঙ্গে ব্যবহৃত হয়েছে?
উত্তর: এই উক্তিটি ব্যবহার করা হয়েছে সেই সব লেখকদের প্রসঙ্গে, যারা কোনো বৈজ্ঞানিক বিষয় সম্পর্কে সম্পূর্ণ জ্ঞান না রেখেই প্রবন্ধ লিখে ফেলেন।

৩৮. সরকারি কাজে দেশি পরিভাষা চালু হওয়ায় কেন অনেকেই ‘মুশকিলে’ পড়েছেন?
উত্তর: যারা দীর্ঘদিন ধরে ইংরেজি পরিভাষায় কাজ করে অভ্যস্ত, তাদের জন্য সরকারি নির্দেশে হঠাৎ বাংলা পরিভাষা শেখা ও ব্যবহার করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

৩৯. ‘উক্ত প্রতিজ্ঞাবাক্যটি সুশ্রাব্য ঠেকবে না’—কাদের কাছে এবং কেন?
উত্তর: ইংরেজি মাধ্যমে জ্যামিতি পড়েছে এমন দ্বিতীয় শ্রেণির পাঠকদের কাছে বাংলা পরিভাষায় লেখা জ্যামিতির বাক্য অপরিচিত ও কৃত্রিম শোনাবে।

৪০. ‘আজন্ম ইজার পড়েছে’—ব্যাখ্যা করো।
উত্তর: এটি একটি রূপক অভিব্যক্তি। ‘ইজার’ (পায়জামা/প্যান্ট) এখানে পাশ্চাত্য ভাবধারা ও ইংরেজি শিক্ষার প্রতীক।

৪১. বৈজ্ঞানিক রচনা ‘সুপ্রতিষ্ঠিত’ না হওয়ার একটি গভীর কারণ লেখো।
উত্তর: একটি গভীর কারণ হল, অনেক লেখক বিষয়বস্তুর গভীর জ্ঞান রাখলেও বাংলা ভাষায় তা সাবলীলভাবে প্রকাশ করার দক্ষতা রাখেন না।

৪২. ‘ব্যঞ্জনা’ কী? বৈজ্ঞানিক রচনায় এর স্থান কেমন?
উত্তর: ‘ব্যঞ্জনা’ হল শব্দের সেই শক্তি যা দ্বারা গূঢ় বা অন্তর্নিহিত অর্থ প্রকাশ পায়। বৈজ্ঞানিক রচনায় এর কোনো স্থান নেই।

৪৩. লেখক কেন ব্রহ্মমোহন মল্লিকের জ্যামিতি বইয়ের উদাহরণ দিয়েছেন?
উত্তর: এই উদাহরণটি দিয়ে লেখক প্রমাণ করতে চেয়েছেন যে, বাংলা ভাষায়ও বিজ্ঞান কার্যকরভাবে শেখানো সম্ভব।

৪৪. ‘সুগ্রাহী কাগজ’ পরিভাষাটি কেমন হওয়া উচিত?
উত্তর: এটি হওয়া উচিত এমন যা: ইংরেজি শব্দের ভাব সঠিকভাবে বহন করে এবং বাংলা ভাষার প্রকৃতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

৪৫. বাংলায় বিজ্ঞানচর্চাকে এগিয়ে নিতে কী কী পদক্ষেপ的必要 menurut লেখক?
উত্তর: লেখকের মতে, প্রয়োজন: একটি সমৃদ্ধ, সমন্বিত পরিভাষা তৈরি করা, লেখকদের বাংলা ভাষায় সাবলীলভাবে লিখতে শেখা, এবং জনসাধারণের মধ্যে বিজ্ঞানশিক্ষার প্রসার ঘটানো।

৪৬. বৈজ্ঞানিক সত্য প্রকাশে সরলরেখা ও সমবাহু ত্রিভুজের উদাহরণটি লেখক কেন ব্যবহার করেছেন?
উত্তর: লেখক তাঁর নিজের ছাত্রজীবনের অভিজ্ঞতা থেকে এই উদাহরণটি দিয়েছেন। এটি প্রমাণ করতে যে, সঠিকভাবে উপস্থাপন করলে বাংলা ভাষায়ও জটিল জ্যামিতির ধারণা সহজেই বোঝানো সম্ভব।

৪৭. বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই প্রবন্ধের প্রাসঙ্গিকতা কতখানি?
উত্তর: প্রবন্ধটি আজও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। বাংলা মাধ্যমের শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য এখনও একটি সমৃদ্ধ ও প্রমিত পরিভাষার অভাব অনুভূত হয়।

৪৮. ‘বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান’ প্রবন্ধ রচনার পেছনে লেখকের মূল উদ্দেশ্য কী ছিল?
উত্তর: মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানচর্চার অন্তরায়গুলি চিহ্নিত করা এবং কীভাবে সেই বাধাগুলি দূর করে বাংলাকে একটি কার্যকর বিজ্ঞানের মাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলা যায়।

৪৯. বাংলায় বিজ্ঞানচর্চার প্রসারের সাথে পাঠকসমাজের ভূমিকা কী?
উত্তর: পাঠকসমাজের কৌতূহল, চাহিদা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ বাংলায় ভালো বিজ্ঞান সাহিত্য রচনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৫০. অভিধা, লক্ষণা ও ব্যঞ্জনা—এই ত্রিবিধ শব্দবৃত্তির মধ্যে বৈজ্ঞানিক রচনায় কোনটি সবচেয়ে বেশি প্রযোজ্য এবং কেন?
উত্তর: বৈজ্ঞানিক রচনায় ‘অভিধা’ বা শব্দের আভিধানিক অর্থই সবচেয়ে বেশি প্রযোজ্য। কারণ বিজ্ঞানের ভাষায় শব্দের একটি সুনির্দিষ্ট ও অপরিবর্তনীয় অর্থ থাকা আবশ্যক।

আরও পড়ুন👇

গল্প

জ্ঞানচক্ষু (গল্প) আশাপূর্ণা দেবী

বহুরূপী (গল্প) সুবোধ ঘোষ

পথের দাবী (গল্প) শরৎ চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

নদীর বিদ্রোহ (গল্প) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

অদল বদল (গল্প) পান্নালাল প্যাটেল

কবিতা

অসুখী একজন (কবিতা) পাবলো নেরুদা

আয় আরো বেধে বেধে থাকি (কবিতা) শঙ্খ ঘোষ

আফ্রিকা (কবিতা) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

অভিষেক (কবিতা) মাইকেল মধুসূদন দত্ত

প্রলয়োল্লাস (কবিতা) কাজী নজরুল ইসলা

অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান (কবিতা) জয় গোস্বামী

সিন্ধুতীরে (কবিতা) সৈয়দ আলাওল

মাধ্যমিক বাংলা প্রবন্ধ

হারিয়ে যাওয়া কলি কলম (প্রবন্ধ) নিখিল সরকার

বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান (প্রবন্ধ) রাজশেখর বসু

মাধ্যমিক বাংলা নাটক

সিরাজদ্দৌলা (নাটক) শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত

মাধ্যমিক বাংলা সহায়ক পাঠ

কোনি (সহায়ক পাঠ) মতি নন্দী

Leave a Reply