সিন্ধুতীরে (কবিতা)- সৈয়দ আলাওল SAQ

১. ‘সিন্ধুতীরে’ কাব্যাংশটির রচয়িতা কে?
উত্তরঃ সপ্তদশ শতকে আরাকান রাজসভার কবি সৈয়দ আলাওল ‘সিন্ধুতীরে’ কাব্যাংশটি রচনা করেন।

২. ‘দিব্য পুরী’ – র বৈশিষ্ট্য কী ছিল?
উত্তরঃ সৈয়দ আলাওলের ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতায় ‘দিব্য পুরী’ বলতে এক অতিমনোহর নগরীর কথা বলা হয়েছে। সেখানে কোনো দুঃখকষ্ট নেই, সর্বদা সত্যধর্ম ও সৎ-আচরণ পালিত হয় এবং এর সৌন্দর্য স্বর্গের উদ্যানের সঙ্গে তুলনীয়।

৩. ‘সিন্ধুতীরে দেখি দিব্যস্থান।’— স্থানটিকে ‘দিব্যস্থান’ বলা হয়েছে কেন?
উত্তরঃ আলাওলের ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতায় সমুদ্রের নিকটস্থ নগরটিকে ‘দিব্যস্থান’ বলা হয়েছে নগরটির স্বর্গীয় সৌন্দর্য, মানুষের দুঃখকষ্টহীনতা, এবং সত্যধর্ম ও সৎ-আচরণ পালনের জন্য।

৪. ‘তার পাশে রচিল উদ্যান।’— কে, কীসের পাশে উদ্যান রচনা করল?
উত্তরঃ ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতা অবলম্বনে, সমুদ্রের তীরে অবস্থিত সৌন্দর্যময় মনোরম নগরীতে যে সুউচ্চ পর্বত অবস্থিত, সমুদ্রকন্যা পদ্মা তার পাশে নিজের হাতে একটি উদ্যান রচনা করেছিলেন।

৫. প্রত্যুষ কালে পদ্মা কী করতেন?
উত্তরঃ সিন্ধুতীরে কবিতানুসারে, সমুদ্রকন্যা পদ্মা পিতৃগৃহে হেসে-খেলে সুখে রাত্রিযাপন করতেন এবং প্রত্যুষে অর্থাৎ খুব সকালে সখীদের সঙ্গে নিয়ে নিজে তৈরি বাগানে ভ্রমণ করতেন।

৬. ‘তুরিত গমনে আসি’— তুরিত গমনে এসে পদ্মা কী দেখতে পেলেন?
উত্তরঃ ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতানুসারে ভোরবেলা সখীসহ বাগানে বেড়ানোর সময় পদ্মা সমুদ্রতীরে একটি ভেলা দেখতে পেয়ে দ্রুত সেখানে পৌঁছে ভেলায় অচৈতন্য পাঁচ কন্যাকে দেখতে পেলেন। তাদের মধ্যে মাঝের কন্যাটি ছিলেন অপরূপ সুন্দরী।

৭. ‘মধ্যেতে যে কন্যাখানি’— কোন কন্যার কথা বলা হয়েছে এবং তার কী অবস্থা ছিল?
উত্তরঃ ‘সিন্ধুতীরে’ কাব্যাংশে সমুদ্রকন্যা পদ্মা উদ্যান-ভ্রমণে এসে সংজ্ঞাহীন পঞ্চকন্যার মধ্যে স্বর্গের অপ্সরার মতো সুন্দর সিংহল-রাজকন্যা পদ্মাবতীকে আবিষ্কার করলেন। এখানে তাঁর কথাই বলা হয়েছে, যিনি অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে ছিলেন।

৮. ‘দেখিয়া রূপের কলা / বিস্মিত হইল বালা / অনুমান করে নিজ চিতে।’— ‘বালা’ কী কী অনুমান করেছিল?
উত্তরঃ সৈয়দ আলাওলের ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতা অনুসারে, সংজ্ঞাহীন অপরূপা কন্যাটিকে দেখে সমুদ্রকন্যা পদ্মা দুটি অনুমান করেছিলেন। প্রথমত, তিনি অনুমান করেছিলেন যে হয়তো দেবরাজ ইন্দ্রের অভিশাপে কোনো বিদ্যাধরি স্বর্গভ্রষ্ট হয়ে পৃথিবীতে এসে পড়েছেন। দ্বিতীয়ত, তিনি ভেবেছিলেন যে সামুদ্রিক ঝড়ের প্রকোপে নৌকাডুবি হয়ে তাদের এই দশা হয়েছে।

৯. ‘সখী সবে আজ্ঞা দিল’— সখীদের পদ্মা কী আজ্ঞা দিয়েছিলেন?
উত্তরঃ আলাওলের ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতায় উদ্যানে ভ্রমণকালে সংজ্ঞাহীন পঞ্চকন্যাকে দেখে পদ্মা তাঁর সখীদের আজ্ঞা দিলেন সেই পঞ্চকন্যাকে বসনে ঢেকে তাদের উদ্যানে আনার জন্য।

১০. পদ্মা ও তাঁর সখীরা পঞ্চকন্যার কী চিকিৎসা করেছিলেন?
উত্তরঃ ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতায় পদ্মা ও তাঁর সখীরা অচৈতন্য পঞ্চকন্যাকে মাথায় ও পায়ে গরম সেঁক দেন। পদ্মা তাঁর অর্জিত বিদ্যাবলে তন্ত্রমন্ত্র ও মহৌষধি দিয়ে তাদের চিকিৎসা করেন।

১১. ‘পঙ্খকন্যা পাইলা চেতন’— পঞ্চকন্যা কীভাবে চেতনা ফিরে পেল?
উত্তরঃ আলাওল রচিত ‘সিন্ধুতীরে’ কাব্যাংশের বর্ণনা অনুযায়ী, সমুদ্রকন্যা পদ্মা ও তার সখীদের বহু যত্ন, মাথায়-পায়ে সেঁক দেয়া এবং মন্ত্র-তন্ত্র-মহৌষধি সহযোগে চার দণ্ডব্যাপী চিকিৎসার ফলে পঞ্চকন্যা তাদের চেতনা ফিরে পায়।

১২. ‘শ্রীযুত মাগন গুণী’— আলাওল তাঁর কবিতার শেষে মাগনের নামোল্লেখ করেছেন কেন?
উত্তরঃ কবি সৈয়দ আলাওল আরাকান রাজসভার অমাত্য মাগন ঠাকুরের আদেশে ‘পদ্মাবতী’ রচনা শুরু করেন। তাই সেকালের মধ্যযুগীয় সাহিত্যরীতি অনুসারে তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ভক্তিস্বরূপ কবিতার শেষে মাগন ঠাকুরের নামোল্লেখ করা হয়েছে।

১৩. ‘কন্যারে ফেলিল যথা’— কন্যাকে কোথায় ফেলা হল এবং এর পিছনের কাহিনী কী?
উত্তরঃ সৈয়দ আলাওলের ‘সিন্ধুতীরে’ কাব্যাংশটি ‘পদ্মাবতী’ কাব্যের অন্তর্গত। এখানে কন্যাটি হলেন সিংহলরাজ গন্ধর্বসেনের কন্যা এবং চিতোররাজ রত্নসেনের স্ত্রী পদ্মাবতী। রাজা রত্নসেন সমুদ্রে প্রবল বিপর্যয়ে পড়ে সব হারানোর পর স্ত্রী পদ্মাবতী ও তাঁর চার সখীকে একটি ভেলায় (মাঞ্জস) তুলে দিয়েছিলেন। সেই ভেলা প্রবল ঢেউয়ে ভাসতে ভাসতে এই সমুদ্রতটে আছড়ে পড়েছিল।

১৪. ‘অতি মনোহর দেশ’— দেশটিকে মনোহর বলা হয়েছে কেন?
উত্তরঃ সৈয়দ আলাওলের ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতা অনুসারে সমুদ্রসংলগ্ন এই দেশ বা নগরীটি স্বর্গীয় এবং অলৌকিক বৈচিত্র্যে ভরা। সেখানকার মানুষদের কোনো দুঃখ বা দুর্দশা নেই এবং সকলে সৎ-ধর্মাচরণ করে, যা এটিকে এক মনোরম স্থানে পরিণত করেছে।

১৫. ‘তথা কন্যা থাকে সর্বক্ষণ।’— কন্যার বসবাসের জায়গাটি কেমন ছিল?
উত্তরঃ আলোচ্য অংশে ‘তথা’ বলতে সমুদ্রকন্যা পদ্মার নিজের হাতে রচিত উদ্যানের মধ্যে অবস্থিত রত্নখচিত উচ্চ প্রাসাদের কথা বলা হয়েছে। এটি ছিল অত্যন্ত সুরম্য ও মনোরম একটি স্থান, যেখানে পদ্মা সর্বদা অবস্থান করতেন।

১৬. ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতায় উল্লিখিত দেশটিতে কী নেই?
উত্তরঃ সৈয়দ আলাওলের ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতায় ‘সমুদ্র মাঝার’-এ উল্লিখিত দেশটিতে মানুষের কোনো দুঃখদুর্দশা, কষ্ট বা যন্ত্রণা ছিল না, যা এটিকে একটি আদর্শ স্থান হিসেবে চিহ্নিত করে।

১৭. ‘নিপতিতা চেতন রহিত’— কে, কোথায় চেতনা হারিয়েছে?
উত্তরঃ সৈয়দ আলাওলের ‘পদ্মাবতী’ কাব্যাংশ অনুসারে রাজা রত্নসেনের স্ত্রী পদ্মাবতী একটি ভেলায় (মাঞ্জস) শুয়ে প্রবল সমুদ্রঝড় ও ঢেউয়ে ভাসতে ভাসতে সমুদ্রতীরবর্তী এই স্থানে এসে চেতনা হারিয়েছিলেন।

১৮. ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতাটি কোন সময়ের বাংলা সাহিত্যের নিদর্শন?
উত্তরঃ কবি সৈয়দ আলাওল আনুমানিক ১৬৪৫ থেকে ১৬৫২ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে ‘পদ্মাবতী’ কাব্যটি রচনা করেন। পাঠ্য ‘সিন্ধুতীরে’ কাব্যাংশটি এই কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। সুতরাং, এটি সপ্তদশ শতাব্দীর মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের একটি উজ্জ্বল নিদর্শন।

১৯. ‘মোহিত পাইয়া সিন্ধু-ক্লেশ’— ‘সিন্ধু-ক্লেশ’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তরঃ সৈয়দ আলাওলের ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতা অনুসারে, অচেতন পদ্মাবতীকে দেখে সমুদ্রকন্যা পদ্মার মনে হয়েছিল সমুদ্রঝড়ে আক্রান্ত হয়ে নৌকাডুবি হওয়ার ফলে, সামুদ্রিক পীড়া বা ‘সিন্ধু-ক্লেশ’-এর ফলেই তিনি জ্ঞান হারিয়েছেন।

২০. ‘বিস্মিত হইল বালা’— বালার বিস্মিত হওয়ার কারণ কী?
উত্তরঃ সিন্ধুতীরে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকা পঞ্চকন্যার মধ্যে মাঝের কন্যাটি, অর্থাৎ পদ্মাবতীর অপরূপ রূপ-সৌন্দর্য দেখে বালা (সমুদ্রকন্যা পদ্মা) বিস্মিত হয়েছিলেন। পদ্মাবতীর রূপ স্বর্গের অপ্সরী রম্ভাকেও যেন পরাজিত করেছে বলে পদ্মার মনে হয়েছিল।

২১. ‘বুঝি সমুদ্রের নাও ভাঙিল প্রবল বাও’— কে এটি অনুমান করেছেন এবং কেন?
উত্তরঃ এটি পদ্মার অনুমান। তিনি অচেতনা কন্যাদের দুরবস্থা দেখে অনুমান করেন যে, সমুদ্রের প্রবল বাতাস (বাও) হয়তো তাদের নৌকা (নাও) ভেঙে দিয়েছে, যার ফলে তারা এই অবস্থায় পতিত হয়েছে।

২২. ‘তাহাতে বিচিত্র টঙ্গি’— ‘টঙ্গি’ শব্দের অর্থ কী এবং এখানে এটি দিয়ে কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তরঃ ‘টঙ্গি’ শব্দের অর্থ হল প্রাসাদ বা অট্টালিকা। এখানে এটি দিয়ে সমুদ্রকন্যা পদ্মার উদ্যানের মধ্যে অবস্থিত রত্নখচিত সুউচ্চ রাজপ্রাসাদকেই বোঝানো হয়েছে।

২৩. ‘সিন্ধুতীরে’ কবিতায় দুজন নারীকে ‘কন্যা’ বলা হয়েছে, সেই দুই কন্যা কে কে এবং তাদের পরিচয় দাও।
উত্তরঃ সৈয়দ আলাওলের ‘পদ্মাবতী’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত ‘সিন্ধুতীরে’ কাব্যাংশে, দুই কন্যার একজন হলেন চিতোররাজ রত্নসেনের স্ত্রী পদ্মাবতী, যিনি সিংহলের রাজকন্যা। অপরজন হলেন সমুদ্ররাজের কন্যা পদ্মা, যিনি দিব্য পুরীতে বাস করেন এবং অচেতন পদ্মাবতীকে উদ্ধার ও সেবা করেন।

২৪. ‘রূপে অতি রম্ভা জিনি’— লাইনটির দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
উত্তরঃ এই লাইনের দ্বারা বোঝানো হয়েছে যে, মাঝের কন্যা পদ্মাবতীর রূপ-সৌন্দর্য এতই অধিক যে তা স্বর্গের অপরূপ সুন্দরী অপ্সরা রম্ভাকেও সৌন্দর্যে পরাজিত করেছে।

২৫. ‘বেকত দেখিয়া আঁখি’— ‘বেকত’ শব্দের অর্থ কী এবং এখানে কী প্রকাশ পেয়েছে?
উত্তরঃ ‘বেকত’ শব্দের অর্থ হল ‘প্রকাশিত’ বা ‘প্রকাশ পেয়েছে’। এখানে এটি দিয়ে বোঝানো হয়েছে যে, পদ্মাবতীর চোখ খুলে যাওয়ায় তার চেতনা ফিরে আসার লক্ষণ প্রকাশ পেয়েছে।

২৬. ‘বেথানিত হৈছে কেশ বেশ’- এই দুরবস্থার কারণ হিসেবে পদ্মা কী অনুমান করেছিলেন?
উত্তরঃ কেশ ও বেশ এলোমেলো (বেথানিত) দেখে পদ্মা অনুমান করেছিলেন যে, প্রবল সামুদ্রিক ঝড়ের সম্মুখীন হয়ে তাদের নৌকা হয়তো ডুবে গেছে বা ভেঙে গেছে, যার ফলে তাদের এই দুরবস্থা হয়েছে।

২৭. ‘হীন আলাওল সুরচন’— কাব্যের মধ্যে কবির আত্মপরিচয় দানের এই রীতিকে কী বলে?
উত্তরঃ কাব্যের মধ্যে কবির এই আত্মপরিচয় দানের রীতিকে ‘ভনিতা’ বলে। মধ্যযুগীয় সাহিত্যে কবিরা তাদের রচনার শেষে এই ভনিতা রাখতেন।

২৮. পদ্মা সখীদের সঙ্গে কেমন ভাবে উদ্যানে এসেছিল?
উত্তরঃ পদ্মা তাঁর সখীদের সঙ্গে রঙ্গ করে, অর্থাৎ হাসি-তামাশা ও আনন্দ করতে করতে উদ্দ্যানে ভ্রমণ করতে এসেছিলেন।

২৯. ‘সমুদ্রনৃপতি সুতা’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে এবং তার চরিত্র সম্পর্কে কী বোঝা যায়?
উত্তরঃ ‘সমুদ্রনৃপতি সুতা’ বলতে সমুদ্ররাজের কন্যা পদ্মাকে বোঝানো হয়েছে। তার চরিত্র থেকে একজন দয়ালু, করুণাময়ী, চিকিৎসাজ্ঞানসম্পন্ন এবং সদাচরণশীলা নারীর ছবি ফুটে ওঠে, যিনি অচেনা মানুষকেও সাধ্যমতো সাহায্য করতে এগিয়ে আসেন।

৩০. আলাওল রচিত ‘পদ্মাবতী’ কাব্যগ্রন্থটি কোন কাব্যের অনুসরণে রচিত?
উত্তরঃ আলাওল রচিত ‘পদ্মাবতী’ কাব্যগ্রন্থটি হিন্দি কবি মালিক মুহম্মদ জায়সী রচিত ‘পদুমাবৎ’ কাব্যের অনুসরণে ও আদর্শে রচিত।

আরও পড়ুন👇

গল্প

জ্ঞানচক্ষু (গল্প) আশাপূর্ণা দেবী

বহুরূপী (গল্প) সুবোধ ঘোষ

পথের দাবী (গল্প) শরৎ চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

নদীর বিদ্রোহ (গল্প) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়

অদল বদল (গল্প) পান্নালাল প্যাটেল

কবিতা

অসুখী একজন (কবিতা) পাবলো নেরুদা

আয় আরো বেধে বেধে থাকি (কবিতা) শঙ্খ ঘোষ

আফ্রিকা (কবিতা) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

অভিষেক (কবিতা) মাইকেল মধুসূদন দত্ত

প্রলয়োল্লাস (কবিতা) কাজী নজরুল ইসলা

অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান (কবিতা) জয় গোস্বামী

সিন্ধুতীরে (কবিতা) সৈয়দ আলাওল

মাধ্যমিক বাংলা প্রবন্ধ

হারিয়ে যাওয়া কলি কলম (প্রবন্ধ) নিখিল সরকার

বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান (প্রবন্ধ) রাজশেখর বসু

মাধ্যমিক বাংলা নাটক

সিরাজদ্দৌলা (নাটক) শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত

মাধ্যমিক বাংলা সহায়ক পাঠ

কোনি (সহায়ক পাঠ) মতি নন্দী

This Post Has 3 Comments

  1. idpagoda168

    Everything about this site is professional. The customer support is responsive and the deposits are instant. Totally trust this platform. idpagoda168

  2. th55online

    The game selection is massive. I spent hours just exploring the different options. It is definitely worth checking out if you are bored. th55online

  3. kombo88slot

    Absolute gem of a site. The promotions are actually useful and not just fluff. I have had a great experience so far. kombo88slot

Leave a Reply