১. বারুণীর দিন গঙ্গার ঘাটের দৃশ্য বর্ণনা করো।
উত্তর:‘কোনি’ উপন্যাসের সূচনাতেই লেখক বারুণীর দিন গঙ্গার ঘাটের এক জীবন্ত দৃশ্য তুলে ধরেছেন। বারুণী হিন্দুদের এক ধর্মীয় উৎসব, যেদিন গঙ্গায় পূজা দিয়ে দেবতার উদ্দেশ্যে কাঁচা আম উৎসর্গ করা হয়। সেদিন ঘাটে ভিড় উপচে পড়ে। কেউ গঙ্গায় ডুব দিয়ে আম বিসর্জন দিচ্ছে, আবার ছোটো ছেলেরা সেই আম কুড়োতে জলে ঝাঁপাচ্ছে, যা পরে তারা বাজারে বিক্রি করবে। পুণ্যার্থীরা কাদা মাড়িয়ে ডাঙায় উঠে আসে; কেউ কেউ বামুনের কাছে পয়সা দিয়ে জামাকাপড় রাখে, গায়ে তেল মাখে ও কপালে চন্দনের ছাপ নেয়। রাস্তার পাশে ভিখারির দল বসে থাকে, কেউ বা ছোটো দেবদেবীর মাথায় গঙ্গাজল ঢালে। তারপর তারা কাঠ, লোহা, খেলনা বা গৃহস্থালির দোকান পেরিয়ে বাড়ির পথে যায়, পথে প্রয়োজনীয় জিনিস কেনে। রোদে গরম হয়ে ওঠা রাস্তায় খালি পায়ে দ্রুতপদে তারা এগিয়ে চলে। এইভাবেই উপন্যাসটি শুরু হয় গঙ্গার ঘাটের এক বাস্তব ও প্রাণবন্ত বর্ণনায়।
২. বিষ্ণুচরণ ধরের পরিচয় দাও। তার খাদ্যাভ্যাসের বিবরণ দাও।
উত্তর:‘কোনি’ উপন্যাসে বিষ্ণুচরণ ধর হলেন পাড়ার এক মান্যগণ্য ব্যক্তি, যিনি সবার কাছে “বেষ্টাদা” নামে পরিচিত। তিনি এক বনেদি বংশের সন্তান এবং আই.এ. পাস করা শিক্ষিত মানুষ। তাঁর প্রায় সাতটি বাড়ি রয়েছে, বড়োবাজারে ঝাড়ন-মশলার ব্যবসা আছে, এবং পাড়ার নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সভাপতির পদে আসীন হন। আসন্ন নির্বাচনে দাঁড়াবারও তাঁর গোপন ইচ্ছা আছে। প্রায় চল্লিশ বছর বয়সে তাঁর দেহের ওজন প্রায় সাড়ে তিন মণ। তাঁর একটি পুরোনো অস্টিন গাড়ি রয়েছে, যাতে করেই তিনি যাতায়াত করেন। গঙ্গার ঘাটে মালিশওয়ালাদের দিয়ে মালিশ করানো তাঁর প্রিয় শখ।
অতিরিক্ত স্থূলতার কারণে বিষ্ণুচরণ এখন ডায়েটিং শুরু করেছেন। আগে তিনি জলখাবারে কুড়িটা লুচি ও আধ কিলো ক্ষীর খেতেন, এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে পনেরোটা লুচি ও তিনশো গ্রাম ক্ষীরে। দুপুরে খান আড়াইশো গ্রাম চালের ভাত চার চামচ ঘি সহ, বিকেলে দু’গ্লাস মিছরির শরবত ও চারটে কড়াপাকের সন্দেশ, আর রাতে মাত্র বারোটা রুটি। তিনি মাছ-মাংস খান না।
৩. মা গঙ্গাকে উচ্ছৃন্নো করা আমই রাস্তায় বসে বেচবে’—প্রসঙ্গ উল্লেখ করে উদ্ধৃতাংশটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো।
উত্তর: মতি নন্দী রচিত ‘কোনি’ উপন্যাসের দ্বিতীয় পরিচ্ছেদে গঙ্গার ঘাটে স্নানরত এক বৃদ্ধের মুখে উক্তিটি শোনা যায়। বারুণী উৎসবে মা গঙ্গাকে যে কাঁচা আম উৎসর্গ করা হয়, নিম্নবিত্ত পরিবারের কিছু ছেলে সেই আম সংগ্রহ করে কম দামে বাজারে বিক্রি করে। এই নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ বাধে। এমনই এক ঘটনার মধ্যেই ক্ষিতীশ প্রথম কোনিকে দেখতে পায়। কোনি ও তার বন্ধুদের বিবাদ দেখে ওই বৃদ্ধ ক্ষোভের সুরে এই উক্তিটি করেন।
বৃদ্ধের কথায় দুই রকম মানসিকতা প্রকাশ পেয়েছে—একদিকে বর্ণভেদে নিম্নবিত্তদের প্রতি সমাজের তাচ্ছিল্য, অন্যদিকে মেয়ে হয়েও কোনির ছেলেদের সঙ্গে ঝগড়া করা দেখে পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন। লেখক বৃদ্ধের মুখ দিয়ে সমাজের এই গোঁড়ামি ও শ্রেণিবৈষম্যের মানসিকতা ফুটিয়ে তুলেছেন। একই সঙ্গে গঙ্গার প্রতি ধর্মীয় পবিত্রতার ধারণা ও পাপ-পুণ্যের সামাজিক মনোভঙ্গিকেও লেখক ব্যঙ্গাত্মকভাবে প্রকাশ করেছেন।
৪. ক্ষিতীশের বাড়িটির বর্ণনা দাও। তার শোবার ঘর ও তার পাশের ঘরটি কীরূপ ছিল?
উত্তর: গঙ্গা থেকে প্রায় পনেরো মিনিট দূরে সরু গলির মধ্যে ছিল ক্ষিতীশের একতলা টালির চালের বাড়ি। সদর দরজা পেরোলেই ছিল মাটির উঠোন, যেখানে টানাটানি করে একটি ভলিবল কোর্ট ধরা যেত। উঠোনে লঙ্কা, পেঁপে, চালকুমড়ো ও জবাফুলের গাছে ভরপুর ছিল। একদিকে টিনের চালের রান্নাঘর ও কলঘর, অন্যদিকে দালান ও তার পেছনে দুটি ঘর। চারপাশের উঁচু বাড়িগুলির মধ্যে এই ছোটো একতলা বাড়িটিকে খুবই শান্ত ও স্নিগ্ধ লাগত। উত্তরদিকের উঁচু বাড়ির মালিক হলধর বর্ধন বারবার কিনতে চাইলেও ক্ষিতীশ বাড়িটি বিক্রি করতে রাজি হননি।
ক্ষিতীশের শোওয়ার ঘরের দেয়ালে তাঁর বাবা-মায়ের ছবি ছাড়াও ধ্যানমগ্ন মহাদেব, অর্জুনের সারথি শ্রীকৃষ্ণ, অলিম্পিক সাঁতারু ডন শোলান্ডার ও জন ফ্রেজারের ছবি টাঙানো ছিল। ঘরে ছিল খাট, আলমারি, বাক্স, আলনা ও নানান প্রয়োজনীয় জিনিস। তার পাশের ঘরে ছিল বই, ম্যাগাজিন, একটি তক্তপোশ, আর নিচে ট্রেনিংয়ের জন্য রবারের দড়ি, স্প্রিং ও লোহার সরঞ্জাম। পাখা বা বিছানা কিছুই ছিল না। ঘরদুটির মধ্য দিয়ে ক্ষিতীশের সংযমী, শৃঙ্খলাপরায়ণ ও পরিশ্রমী জীবনের পরিচয় ফুটে ওঠে।
৫. কোনির পারিবারিক জীবনের পরিচয় দাও
উত্তর: কনকচাঁপা পাল ওরফে কোনি ‘কোনি’ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র। সে শ্যামপুকুর বস্তির এঁদো গলিতে সাত ভাইবোন ও মা–সহ বসবাস করে। বাবা যক্ষ্মা রোগে মারা গেছেন, মেজো ভাই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারিয়েছে, আর সেজো ভাই কাঁচরাপাড়ায় পিসির বাড়িতে থাকে। সংসারের সমস্ত দায়িত্ব বড় ভাই কমলের ওপর। একসময় সে ভালো সাঁতারু ছিল, কিন্তু সংসারের দায়ে রাজাবাজারের মোটর গ্যারাজে দেড়শো টাকার চাকরি করে। সংসার চালাতে এক ভাইকে চায়ের দোকানে কাজ দিতে হয়েছে এবং কোনিকেও সুতো কারখানায় পাঠানোর কথা উঠেছিল। বারুণীর দিনে আম কুড়িয়ে বিক্রির ঘটনায় কোনিদের দারিদ্র্যের বাস্তব চিত্র ফুটে ওঠে। পরে ক্ষিতীশবাবু কোনির প্রতিভা চিনে নিয়ে তার সাঁতার শেখার সমস্ত দায়িত্ব নেন এবং কোনির মা–কেও কাজের ব্যবস্থা করে দেন।
৬. ‘হঠাৎ কোনির দু’চোখ জলে ভরে এল’— কোনির দু’চোখ জলে ভরে ওঠার কারণ কী? এরপরে কী ঘটেছিল?
উত্তর: রবীন্দ্র সরোবরে এক মাইল সাঁতার প্রতিযোগিতায় শ্যামপুকুর বস্তির কোনির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিল বালিগঞ্জ ক্লাবের অভিজাত সাঁতারু হিয়া মিত্র। সর্বোচ্চ চেষ্টা করেও কোনি তার প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারাতে পারেনি। অথচ দাদা কমলকে সে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল— “মেয়েদের মধ্যে আমি প্রথম হবই।” দাদা তার জন্য ধার করে বারো টাকা দিয়ে একটি কস্টিউম কিনেছিল। সেই প্রতিশ্রুতি রাখতে না পারার দুঃখ ও অপমান কোনির মনে গভীর আঘাত হানে। ঠিক তখনই ক্ষিতীশের স্নেহভরা কণ্ঠস্বর ও সাঁতার শেখানোর প্রস্তাব কোনির কঠোর মনোভাবকে গলিয়ে দেয়, আর তার চোখ জলে ভরে ওঠে।
এরপরই কোনির জীবনে আসে এক নতুন মোড়— ক্ষিতীশের তত্ত্বাবধানে সে প্রথমবারের মতো নিয়মিত প্রশিক্ষণ নেওয়ার সুযোগ পায়। সেই সুযোগই তাকে ধীরে ধীরে সাফল্যের শীর্ষে পৌঁছে দেয়।
৭. কোনির জীবনে ক্ষিদ্দার অবদান আলোচনা করো।
কোনির জীবনে ক্ষিদ্দা তথা ক্ষিতীশ সিংহের অবদান ছিল নির্ধারক। এক দরিদ্র মেয়ের অদম্য প্রতিভাকে তিনি চিনতে পেরেছিলেন এক জহুরির দৃষ্টিতেই। তাঁর কঠোর প্রশিক্ষণই কোনিকে গড়ে তুলেছিল জাতীয় পর্যায়ের সাঁতারু হিসেবে।
তিনি কোনির খাওয়া-ঘুমের দায়িত্ব নিয়েছিলেন, প্রবল পরিশ্রম করিয়েছিলেন, কেঁদে ফেললেও ছাড় দেননি। আবার তিনিই কোনির মাথায় স্নেহে হাত বুলিয়েছেন, তাকে চিড়িয়াখানায় নিয়ে গেছেন। তাঁর এই কঠোর শাসন ও স্নেহের অনন্য সমন্বয়ই কোনিকে করে তুলেছিল অদম্য। নিঃস্বার্থভাবে দেশের জন্য একজন খেলোয়াড় গড়ার এই আগ্রহই কোনির সাফল্যের ভিত্তি রচনা করেছিল। কোনির জীবনের এই উত্থান ক্ষিদ্দারই অক্লান্ত পরিশ্রমের ফসল।
৮. ‘কোনি’-র চরিত্রটি আলোচনা করো।
উত্তর:‘কোনি’ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্রটি হল এক দরিদ্র বস্তির মেয়ে, যার অদম্য জীবনীশক্তি ও লড়াকু মনোভাব গল্পটিকে গতিশীল করে তোলে। তার চরিত্রের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য দিক হল একগুঁয়ে জেদ, কষ্টসহিষ্ণুতা এবং স্বাধীনচেতা আত্মসম্মানবোধ। গঙ্গায় আমের দখল নিতে ভাদুর হাতে কামড় দেওয়া থেকে শুরু করে হিয়া মিত্রের অপমানের জবাব দেওয়া পর্যন্ত—সবক্ষেত্রেই তার এই দৃঢ়তা ফুটে ওঠে।
জীবনের প্রতি তার এই রূক্ষ ও সংগ্রামী দৃষ্টিভঙ্গির আড়ালে লুকিয়ে থাকে এক কোমল ও আবেগপ্রবণ হৃদয়। দাদার মৃত্যুতে তার শোক, ক্ষিদ্দার স্নেহে কান্নায় ভেঙে পড়া—এগুলো তার মানবিক দিকটিকেই প্রকাশ করে। ক্ষিতীশ সিংহ ঠিকই বুঝতে পেরেছিলেন যে, এই রূক্ষতাই তার সবচেয়ে বড় শক্তি। দারিদ্র্য ও প্রতিকূলতাকে তার এই জেদ ও অধ্যবসায়ের অস্ত্র দিয়েই জয় করে কোনি শুধু একজন চ্যাম্পিয়ন সাঁতারুই হয়নি, জীবনযুদ্ধের এক অপরাজেয় সৈনিক হয়ে ওঠে।
৯. হিয়া মিত্রের চরিত্র আলোচনা করো।
উত্তর:হিয়া মিত্র ‘কোনি’ উপন্যাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র, যে অভিজাত বিত্তবান পরিবারের সন্তান হয়েও সম্পূর্ণ আত্মঅহংকারমুক্ত। বালিগঞ্জ সুইমিং ক্লাবের পৃষ্ঠপোষকতা, নামী স্কুল ও গাড়িতে চলাফেরা তার প্রাত্যহিক জীবন হলেও সে মাটিতে পা রেখেই চলতে জানে। অমিয়ার মতো অপমানজনক মন্তব্য থেকে সে সর্বদা দূরে থাকে।
তার চরিত্রের বিশেষত্ব হলো সহজ-সরল আচরণ। বেলার ক্রিমের কৌটো থেকে ক্রিম নিয়ে কোনির গালে মাখানোর ঘটনায় তার অকৃত্রিম স্বভাব ফুটে উঠেছে। খেলার মাঠে সে প্রকৃত খেলোয়াড়সুলভ মানসিকতার পরিচয় দেয় – ন্যাশনাল চ্যাম্পিয়নশিপে দলের জয়ের জন্য সে নিজেই কোনিকে রিলে রেসে ডাকতে আসে।
‘অত হিংসে ভাল নয়’ ও ‘আনস্পোর্টিং’ – এই দুটি মন্তব্য তার ভিন্ন সামাজিক পরিপ্রেক্ষিতেরই প্রকাশ। হিয়াকে পরাজিত করার জেদই কোনির সাফল্যের মূল প্রেরণা। তাই কোনির উত্থানে হিয়া মিত্রের পরোক্ষ অবদান অপরিসীম।
আরও পড়ুন👇
গল্প
জ্ঞানচক্ষু (গল্প) আশাপূর্ণা দেবী
- জ্ঞানচক্ষু (গল্প) আশাপূর্ণা দেবী MCQ
- জ্ঞানচক্ষু (গল্প) আশাপূর্ণা দেবী QUIZ
- জ্ঞানচক্ষু (গল্প) আশাপূর্ণা দেবী SAQ
বহুরূপী (গল্প) সুবোধ ঘোষ
পথের দাবী (গল্প) শরৎ চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
- পথের দাবী (গল্প) শরৎ চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় MCQ
- পথের দাবী (গল্প) শরৎ চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় QUIZ
- পথের দাবী (গল্প) শরৎ চন্দ্র চট্টোপাধ্যায় SAQ
নদীর বিদ্রোহ (গল্প) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
- নদীর বিদ্রোহ (গল্প) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় MCQ
- নদীর বিদ্রোহ (গল্প) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় QUIZ
- নদীর বিদ্রোহ (গল্প) মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় SAQ
অদল বদল (গল্প) পান্নালাল প্যাটেল
- অদল বদল (গল্প) পান্নালাল প্যাটেল MCQ
- অদল বদল (গল্প) পান্নালাল প্যাটেল QUIZ
- অদল বদল (গল্প) পান্নালাল প্যাটেল SAQ
কবিতা
অসুখী একজন (কবিতা) পাবলো নেরুদা
- অসুখী একজন (কবিতা) পাবলো নেরুদা MCQ
- অসুখী একজন (কবিতা) পাবলো নেরুদা QUIZ
- অসুখী একজন (কবিতা) পাবলো নেরুদা SAQ
আয় আরো বেধে বেধে থাকি (কবিতা) শঙ্খ ঘোষ
- আয় আরো বেধে বেধে থাকি (কবিতা) শঙ্খ ঘোষ MCQ
- আয় আরো বেধে বেধে থাকি (কবিতা) শঙ্খ ঘোষ Quiz
- আয় আরো বেধে বেধে থাকি (কবিতা) শঙ্খ ঘোষ SAQ
আফ্রিকা (কবিতা) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- আফ্রিকা (কবিতা) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর MCQ
- আফ্রিকা (কবিতা) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর Quiz
- আফ্রিকা (কবিতা) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর SAQ
অভিষেক (কবিতা) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
- অভিষেক (কবিতা) মাইকেল মধুসূদন দত্ত MCQ
- অভিষেক (কবিতা) মাইকেল মধুসূদন দত্ত Quiz
- অভিষেক (কবিতা) মাইকেল মধুসূদন দত্ত SAQ
প্রলয়োল্লাস (কবিতা) কাজী নজরুল ইসলাম
- প্রলয়োল্লাস (কবিতা) কাজী নজরুল ইসলাম MCQ
- প্রলয়োল্লাস (কবিতা) কাজী নজরুল ইসলাম Quiz
- প্রলয়োল্লাস (কবিতা) কাজী নজরুল ইসলাম SAQ
অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান (কবিতা) জয় গোস্বামী
- অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান (কবিতা) জয় গোস্বামী MCQ
- অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান (কবিতা) জয় গোস্বামী Quiz
- অস্ত্রের বিরুদ্ধে গান (কবিতা) জয় গোস্বামী SAQ
সিন্ধুতীরে (কবিতা) সৈয়দ আলাওল
- সিন্ধুতীরে (কবিতা) সৈয়দ আলাওল MCQ
- সিন্ধুতীরে (কবিতা) সৈয়দ আলাওল Quiz
- সিন্ধুতীরে (কবিতা) সৈয়দ আলাওল SAQ
মাধ্যমিক বাংলা প্রবন্ধ
হারিয়ে যাওয়া কলি কলম (প্রবন্ধ) নিখিল সরকার
- হারিয়ে যাওয়া কলি কলম (প্রবন্ধ) নিখিল সরকার MCQ
- হারিয়ে যাওয়া কলি কলম (প্রবন্ধ) নিখিল সরকার Quiz
- হারিয়ে যাওয়া কলি কলম (প্রবন্ধ) নিখিল সরকার SAQ
বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান (প্রবন্ধ) রাজশেখর বসু
- বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান (প্রবন্ধ) রাজশেখর বসু MCQ
- বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান (প্রবন্ধ) রাজশেখর বসু Quiz
- বাংলা ভাষায় বিজ্ঞান (প্রবন্ধ) রাজশেখর বসু SAQ
মাধ্যমিক বাংলা নাটক
সিরাজদ্দৌলা (নাটক) শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত
- সিরাজদ্দৌলা (নাটক) শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত MCQ (Set 1)
- সিরাজদ্দৌলা (নাটক) শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত MCQ (Set 2)
- সিরাজদ্দৌলা (নাটক) শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত Quiz (Set 1)
- সিরাজদ্দৌলা (নাটক) শচীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত Quiz (Set 2)
মাধ্যমিক বাংলা সহায়ক পাঠ
